ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেলের জন্য তিন কিমি লম্বা লাইন সরকারের হেলদোল নাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৪-১৯ ১৮:২০:১৪
তেলের জন্য তিন কিমি লম্বা লাইন সরকারের হেলদোল নাই তেলের জন্য তিন কিমি লম্বা লাইন সরকারের হেলদোল নাই
নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্বালানি তেলের জন্য তিন কিলোমিটার লম্বা লাইন দেখা যায় উল্লেখ করে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, যদি জ্বালানির কোন সংকটই না থাকে তাহলে এত লম্বা লাইন কেন? দামই বাড়াইতে হয় কেন?

রোববার জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে জরুরি জন–গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। রুমিনের বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকারি দলের সদস্যরা আপত্তি তোলেন হইচই করেন। পরে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ কারণে সরকারি দলের সমালোচনা করেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, কাদম্বরী মরিয়া প্রমাণ করিল যে সে মরে নাই। আমাদের তেলের দাম শেষ মেষ বৃদ্ধিই হইলো। কিন্তু তার আগে আমরা দেখলাম কয়েক কিলোমিটার জুড়ে লম্বা লাইন। মাঝরাত পর্যন্ত ড্রাইভাররা দাঁড়িয়ে আছে, তারা তেল পাচ্ছে না। কিন্তু সরকারের সে ব্যাপারে কোনো হেলদোল নাই।

রুমিন বলেন, মন্ত্রীরা যখন সংসদে বক্তব্য দেন তখন তারা অবলীলায় বলেন, বাংলাদেশে জ্বালানির কোন ঘাটতি নাই। কিন্তু মাননীয় স্পিকার, যখন তেল নিতে যায় তখন দেখা যায় তিন কিলোমিটার লম্বা লাইন।’

এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘সরকার সম্ভবত কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করবার ঘোষণা দিয়েছে। তার একটা হচ্ছে মার্কেটপ্লেস ৭টা বাজে বন্ধ করে দেয়া। সিদ্ধান্ত চমৎকার. তবে মনে রাখতে হবে কেনাকাটা বা শপিং যেটুকু হয় সেটুকু সন্ধ্যার পরেই হয়। তার আগে হয় না। দুই হল অফিস আদালতের সময় বলে পরিবর্তন করবে। পাঁচ দিনের জায়গায় চারদিন বা তিনদিন তারা কর্মঘন্টা ঠিক করবে। কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে যদি জ্বালানির কোন সংকটই না থাকে তাহলে এত লম্বা লাইন কেন? দামই বাড়াইতে হয় কেন? অফিস কর্মসূচি সময় পরিবর্তন করতে হয় কেন? এই প্রশ্নগুলা তো ওঠে।

স্পিকারের উদ্দেশে রুমিন আরো বলেন, ‘আপনার মাধ্যমে এই সংসদের কাছে আমি জানতে চাই জ্বালানি মন্ত্রীরা যখন গণমাধ্যমে কথা বলেন, তখন মনে হয় বাংলাদেশে আল্লাহর রহমতে কোন সংকট নাই। ওনারা যদি পরিষ্কার করে বলেন বাংলাদেশে বর্তমানে কতদিনের অকটেন ডিজেলের মজুদ আছে, কতদিন চলতে পারবে, পাম্পগুলো কেন পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল পায় না?’

রুমিন বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদীনকে হাত নেড়ে কিছু বলতে দেখা যায়। তার বক্তব্যের পর সরকারি দলের সদস্যরা হইচই করতে থাকেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ